এইমাত্র
  • মনপুরায় অগ্নিকাণ্ডে অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি
  • ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের
  • অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ
  • বগা সেতুর স্বপ্ন আর ভোটের লড়াই: মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত
  • নির্বাচনে গাড়ি রিকুইজিশনে বিপাকে সাতকানিয়ার পুলিশ
  • অকালেই থেমে গেল শৈশব, সীমান্তের গুলিতে নিভল আফনান
  • ক্ষমতায় গেলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করা হবে: জামায়াত আমির
  • সবুজের অরণ্যে হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা কাদিগড় জাতীয় উদ্যান
  • অনেকেই প্রত্যেক জেলায় জেলায় গিয়ে ভুল বলছেন: আসিফ মাহমুদ
  • পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসীদের ভোট সম্পর্কে জানতে আগ্রহী ৪ দেশ
  • আজ রবিবার, ২৫ মাঘ, ১৪৩২ | ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    অর্থ-বাণিজ্য

    অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৬ পিএম

    অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

    সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা প্রকাশ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:১৬ পিএম
    ছবি: সংগৃহীত

    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’।  কর্মসূচির ফলে বন্দরের অভ্যন্তরে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের অপারেশন কার্যক্রম।

    আজ রবিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শ্রমিকরা এই ধর্মঘট শুরু করেন।

    জানা গেছে, বন্দরের ভেতরে কোনো ধরনের কাজ হচ্ছে না। জাহাজ থেকে পণ্য খালাস, পণ্য পরিবহন কিংবা ডেলিভারি-সবকিছুই বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বন্দরের গেটগুলোতে সকাল থেকেই পুলিশের বিশেষ সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে। ৪ নম্বর গেট এলাকায় সাঁজোয়া যান ও জলকামানের গাড়িও মোতায়েন রয়েছে।

    এদিকে আন্দোলন বানচালে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শ্রমিক নেতারা।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার নৌ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ও শনিবার ধর্মঘট স্থগিত রেখেছিলেন শ্রমিকরা। তবে তাদের দাবি, উপদেষ্টার দেয়া প্রতিশ্রুতির কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় রোববার থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন তারা। 

    এবারের কর্মসূচিতে শ্রমিকরা শুধু জেটি বা টার্মিনালে কাজ বন্ধ রাখেননি, বহির্নোঙরে থাকা জাহাজ থেকেও পণ্য খালাস বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। যেসব জাহাজের পণ্য খালাস প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল, সেগুলোর কাজ কিছুটা চললেও নতুন করে আসা জাহাজগুলো থেকে পণ্য খালাস সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

    এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ রবিবার সকালে সাড়ে ৯টায় প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীরা এই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    একই দাবিতে এর আগেও ৬ দিনের কর্মবিরতি পালন করেছিলেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। তবে নৌ পরিবহন উপদেষ্টার আশ্বাসের ভিত্তিতে শুক্রবার ও শনিবার কাজ করলেও আজ থেকে নতুন কর্মসূচি শুরু করেছেন। এদিকে টানা কর্মসূচির কারণে বন্দরে তৈরি হয়েছে কন্টেইনার ও জাহাজ জট। খালাস কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।

    শ্রমিকদের দাবগুলো হলো- বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল বা এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া, সংকট সৃষ্টির প্রধান কারণ বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করা, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গৃহীত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া।

    এইচএ

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…